সূত্রপাত প্রতিবেদন : লালনে এসে ধর্ষনের শিকার ১০ বছরের শিশু। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ধর্ষিতা সহ তারা ৩ বোন বর্তমানে লালনের মাঠেই তাদের জীবনযাপন। গতকাল ৯-১০-২০২৩ ইং সোমবার বিকেলে আনুমানিক ৫ টার সময় ৩ বোনের ছোট বোন ইকো পার্কে বেড়াতে যায়।তারপর সেখান থেকে কাজল() মাতা:ময়না উভয় সাং:মিলপাড়া কুষ্টিয়া ভুক্তভোগী শিশুকে ডেকে নিয়ে বলে সামনের কল থেকে ঠান্ডা পানি নিয়ে এসো। শিশুটি পানি আনতে গেলে কাজল জোরপূর্বক শিশুটিকে কলের পাশে ঝোপের আড়ালে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। তখন শিশুটি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে।
চিৎকার করলে স্থানীরা টের পেয়ে তাকে উদ্বার করেন। খবর পেয়ে শিশুটির মেজো বোন ঘটনা স্থানে ছুটে আসেন। স্থানীয় সহযোগীতায় তাদেরকে নিয়ে ধর্ষক কাজলের বাড়িতে গেলে ধর্ষকের নানী বলেন কাজল বাড়িতে নেই, যেখানে ঘটনা ঘটেছে সেখানে যাও। নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী শিশুকে সাথে নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে নিয়ে গেলে জনপ্রতিনিধি পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পুলিশ ফাঁড়িতে গেলে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক ভাবে ধর্ষণের অলামতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এরপর বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য দুইজন অপরিচিত মহিলা হাসপাতাকে প্রবেশ করে ধর্ষিতা শিশুটি সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন বলে জানা শিশুটির মেজোবোন। বর্তমান শিশুটি অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ৮ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা দুই বোন এখন
জীবনের নিরাপত্তারহীতায় রয়েছেন বলে জানা যায়। প্রশাসনের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সুশীল সমাজ।
এই বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন,
এই বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ আমরা পায়নি। আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। ধর্ষণ কাজলকে আটক করতে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।