মোঃ রবিউল ইসলাম হৃদয়, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি শিশু স্ক্যানু রুমের আইপিএস মেশিনের উপর পরে বিদ্যুতিক বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে।  এসময় কর্তব্যরত নার্স সহ রোগীর স্বজেনরা তাড়াহুড়ি করে শিশু সরানোর সময়ে ৪ দিনের এক শিশু মারা যায়।
নিহত শিশু হলেন কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের শানপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।
নিহতের স্বজেনরা জানায়, গত ২২ শে জুন গৃহবধু নূরজাহান দুইটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন। একটি পুত্রের অবস্থা খারাপ হওয়ায় মারা যায়। অপরটি সুস্থ থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ঐ শিশুটিকে শিশু স্ক্যানার রুমে পর্যবেক্ষণের জন্য রাখে। শনিবার দুপুরের দিকে শিশুটির মা নূরজাহান শিশু পুত্রকে দুধপান করায়ে তার বেডে ফিরে যান। এরপর আষাড় মাসের ভারী বৃষ্টি হলে হাসপাতালের ছাদে পানি জমে যায়। ফলে হাসপাতালের ছাদ ছিদ্র হয়ে ফোটা ফোটা পানি পড়ে সংরক্ষিত রাখা বৈদ্যুতিক আইপিএস মেশিনের উপর পরে।  ফলে শিশু স্ক্যানিং রুমে থাকা আইপিএস মেশিন বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ধোয়া এতে সৃষ্টি হয় আতংক। সেখানে দায়িত্ব থাকা নার্স তাড়াতাড়ি করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐ শিশুগুলোকে নিরাপত্তা স্থানে সরিয়ে ফেলার সময়ে একটি শিশুর নাক মুখে রক্ত বের হতে থাকলে ঘটনাস্থলে ঐ শিশু মারা যায়।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, প্রথমে মনে হয় স্ক্যানিং মেশিন বিষ্ফোরণ হয় বলে এমন খবর শোনা মাত্রই সেখানে গিয়ে দেখতে পান বৈদ্যুতিক আইপিএস মেশিনের উপর বৃষ্টির পানি পড়ে এবং সেটা বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে কোন শিশুর হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও একটি শিশু মারা যায়। হাসপাতালের ছাদ ছিদ্র হওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানালে কিছুদিন পর সেটা মেরামত করে যায় তবুও প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে বৃষ্টির পানি পড়ছে বলে তিনি বলেন।