দলিল লেখক কাউন্সিলার হওয়ায় : নাগরিক সেবায় ভোগান্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেটের সময়। বুধবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৫১ টাইম ভিউ

কুষ্টিয়া পৌরসভার ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোহেল রানার আশা বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করার অভিযোগ উঠেছে। ঠিকমতো অফিস না করার কারনে ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরসভর ২১ নং ওয়ার্ডে বসবাসকরী সাধারণ মানুষ। এতে নাগরিক সেবা পেতে বেগ পোহাচ্ছেন পৌরসভার সেবাপ্রার্থীরা। নতুন পৌর পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১ বছরে মাথায় তার এই অনুপস্থিতিকে স্বাভাবিকভাবে দেখছেন না সচেতন মহল। সাধারণ সেবা প্রার্থীরা দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান চান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরাকারী বিধি মোতাবেক কুষ্টিয়াসহ সারা দেশেই শিক্ষার্থীদের অনলাইন নিবন্ধনের কার্র্যক্রম চলমান রয়েছে । সেই কারনে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন কাজে পৌরসভায় প্রতিনিয়ত ঘুরে হয়রানীর শিকার হচ্ছে । সধারণ সেবা গুলো পেতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে । অনেকেই আবার দিনের পর দিন ঘুরছে পৌর চত্বরে। জনগণের সেই হররানী আরো কয়েজকগুণ বেড়েছে কুষ্টিয়া পৌরসভার ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোহেল রানা আশা’র অনুপস্থিতির কারনে । লেজে-গোবরে এই অবস্থা থেকে প্রতিকার চেয়েছেন সাধারণ সেবা প্রার্থীরা ।
এদিকে পৌরসভার গেটে ঢুকেই দেখা যায় একাধিক সেবাপ্রার্থীরা দাঁড়িয়ে আছেন নিজ নিজ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের সন্ধানে । বিধি মোতাবেক জন্মনিবন্ধন আবেদন থেকে শুরু করে নাগরিক সনদ, প্রত্যায়নপত্র সবকিছুতেই প্রায়োজন হয় কাউন্সিলরের স্বাক্ষর। পৌর কাউন্সিলর উপস্থিত না থাকায় অপেক্ষমান সেবা গ্রহিতাদের মুখে দেখা যায় হতাশার ছাপ ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেবা গ্রহিতা বলেন, আমার মেয়ে কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে পড়ে । মেয়ের জন্মনিবন্ধনে নামের বানানে একটু আক্ষরিক ভুল আছে। এখন নতুন নিয়মে সেগুলো সংশোধন করাতে হলে, আমার এবং স্ত্রীর জন্মনিবন্ধনও করাতে হবে। যা সেবার নামে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে ।
তিনি আরো বলেন, অল্প একটু ভূলের জন্য আজ এই ভোগান্তী । অথচ এর জন্য আমরা দায়ী নয় ।সামান্য এই কাজের জন্য ৫/৬ দিন পৌরসভায় এসেও কাউন্সিলর অনুপস্থিত থাকার কারণে তা সংশোধন করা সম্ভব হয়নি ।এটা জনগণের সেবার নামে মশকারি করা ছাড়া আর কিছুই নয় । আমরা এর প্রতিকার চাই ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাউন্সিলর হওয়ার আগে থেকেই আশা কুষ্টিয়া রেজিস্ট্রার অফিসে দলির লেখকের কাজ করেন । যার ফলে তিনি কখনোই নিয়মিত পৌরসভায় আসেন না । প্রশ্ন হলো একটি মানুষ একই সময়ে কিভাবে দুইটি কাজ করে ?
অনিয়মের বিষয়ে পৌরকাউন্সিলর আশা,র মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন অপনারা যা ইচ্ছা তাই করেন ।
এ বিষেয়ে প্যানেল মেয়র শাহিন উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন তার ওয়ার্ডের সাধারন নাগরিকরা পৌরসভায় এসে তাকে না পেয়ে ঘুরে যাওয়ার কথা শুনেছি, আরেকটি দুখঃজনক কথা সে যদি সাংবাদিকে বলে থাকেন এ বিষয়ে যা ইচ্ছে তাই করেন এই কথাটি বলা তার ঠিক হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর