শিরোনামঃ
ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে লড়বেন অ্যাড. মুহাইমিনুর রহমান পলল কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ২০ বোতল ফেনসিডিল ও পাখি ভ্যান সহ ১ জন আটক ইবি থিয়েটারের পথনাটক পরিবেশনা ইবিতে ওবিই কারিকুলাম প্রিপারেশন বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিজ জেলা কুষ্টিয়াতে অভিনন্দন না পেয়ে আক্ষেপ করে যা বললেন সাফ চ্যাম্পিয়ন নীলা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ডি বি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র গুলি সহ আটক-২ কুষ্টিয়ায় পর্নোগ্রাফি আইনে ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর নামে নেত্রীর মামলা কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগ নেতা ও নেত্রীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন   কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সোহেল নামের এক যুবকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ কুষ্টিয়ায় সন্তান জন্ম দিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করলেন মা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সোহেল নামের এক যুবকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেটের সময়। বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৯৯ টাইম ভিউ

গতকাল ২০শে সেপ্টেম্বর ইং তারিখে সন্ধ্যা অনুমান ০৬.৩০ সময় দৌলতপুর থানার প্রাগপুর পশ্চিম পাড়ার ১ নং ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ আনিসুর রহমানের (৫৫) ছেলে সোহেল রানা বাড়ি থেকে পাখিভ্যান কেনার উদ্দেশ্যে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়। সোহেল রানার বাবা পাখি ভ্যান কিনতে মানা করলে  মহিষকুন্ডি বাজার থেকে পায়ে হেটে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে মহিষকুন্ডি কলেজ মোড় পাকা রাস্তার উপর পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে
১। মোঃ জাহাঙ্গীর (৩০) পিতা- ফডু, ২। মোঃ বাসার (২৬) পিতা- বসির, ঠিকানা-মহিষকুন্ডি কলেজ পাড়া, ৩। মোঃ মারুফ (৩২) পিতা- মোঃ মাহাবুল, ঠিকানা -পাকুড়িয়া ঘুনা পাড়া, ৪। মোঃ মাফুজ (৪৫) পিতা- সাবেদ দফাদার, ঠিকানা- মহিষকুন্ডি রাজধানীর মোড়, ১ নং প্রাগপুর ইউপি, থানা-দৌলতপুর, জেলা-কুষ্টিয়া সোহেলের সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং সোহেল রানা তার প্রতিবাদ করলে তাকে  লাঠি  দিয়ে একাধিক বার আঘাত করে ও হত্যার  উদ্দেশ্যে পাশেই পাকুড়িয়া মাঠের ভিতরে জোর করে  নিয়ে যায়।

হাতুড়ি দিয়ে সোহেল রানার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। জাহাঙ্গীর নামের লোকটি প্লাস দিয়ে আমার বাম পায়ের নখ তুলে ফেলে রক্তাক্ত করে এবং বাকি ঐ লোকগুলো  ছুরি দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে খুচিয়ে খুচিয়ে জখম করে এবং আমর কাছে থাকা নগদ ৫৫,০০০/ (পঞ্চান্ন হাজার) টাকা কেরে নেই এবং কাউকে যেনো না বলি এই বলে জানে মারার হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে আমি বাড়িতে এসে  ঘটনার বিষয়ে আমার মা মোছা: হাসেন খাতুন (৪৮) ও আমার বড় ভাই  পারভেজকে সহ আশ পাশের আরো লোকজনদের ঘটনার বিষয়ে জানাই। পরে আমার বাবা  শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। এই ঘটনার বিষয়ে আমার আত্মীয়-স্বজনদের পরামর্শে আমার বাবা দৌলতপুর থানায় একটি  অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি জাবীদ হাসান বলেন এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি হাতে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর