শিরোনামঃ
ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে লড়বেন অ্যাড. মুহাইমিনুর রহমান পলল কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ২০ বোতল ফেনসিডিল ও পাখি ভ্যান সহ ১ জন আটক ইবি থিয়েটারের পথনাটক পরিবেশনা ইবিতে ওবিই কারিকুলাম প্রিপারেশন বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিজ জেলা কুষ্টিয়াতে অভিনন্দন না পেয়ে আক্ষেপ করে যা বললেন সাফ চ্যাম্পিয়ন নীলা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ডি বি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র গুলি সহ আটক-২ কুষ্টিয়ায় পর্নোগ্রাফি আইনে ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর নামে নেত্রীর মামলা কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগ নেতা ও নেত্রীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন   কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সোহেল নামের এক যুবকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ কুষ্টিয়ায় সন্তান জন্ম দিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করলেন মা

কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না রাতে কুষ্টিয়া জুগিয়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রবিউল ইসলাম(হৃদয়)
  • আপডেটের সময়। সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৩২ টাইম ভিউ

নদী থেকে বালি উত্তোলন নিয়ে সরকার একটি
নীতিমালা রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী রাতে বালি উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। গত (১৩ জুন) ২০২২ইং সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সংলাপের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)। কে শোনে কার কথা। এটিই হচ্ছে রক্ষক যখন ভক্ষক হওয়ার আলামত।কুষ্টিয়া পৌরসভার প্রাণকুলে অবস্থিত ১৫নং ওয়ার্ডের জুগিয়া বালিঘাট। কখনো তারা ভেবেছিলনা যে এই এলাকাটি এমন অবহেলিত এলাকা হিসেবে বিবেচিত হবে। কুষ্টিয়া পৌরসভার একমাত্র এই ওয়ার্ডটিই নাগরিক সুবিধা
থেকে অনেকটা পিছিয়ে শুধু মাত্র বালির ঘাট থাকার কারণে।

রাস্তাঘাটের উন্নয়ন তো হয়নি শুধু উন্নয়ন হয়েছে বালু উত্তোলনকারীদের। বষার্কালে কাঁদা আর শুস্ক মৌসুমে ধুঁলা বালির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের। এগুলো একপযার্য়ে সহনিয় পযার্য়ে চলে এসেছিল বালির ঘাট বন্ধ হওয়ার কারণে।কিন্তু হটাৎ করে রাতে আঁধারে প্লেটর, স্কেবেরট ব্যবহার করে বড় বড় ড্রামট্রাক ও শব্দ যন্ত্র ট্রলি দিয়ে বালি কেঁটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নির্ঘুম রাত জেগে আতঙ্কের মধ্যে রাত কাঁটাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। স্থানীয় বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় এই অবৈধ বালু উত্তোলন চলছে কুষ্টিয়ার এক প্রভাবশালী নেতার ভাগ্নের নেতৃত্বে। যার ফলে প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে বসে আছে। কোন ভাবেই যখন বন্ধ হচ্ছে না রাতে আঁধারে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন তখন নিরুপায় হয়ে দিনের আলোয় বালি কাটার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সমস্থ চাপ পড়েছে এই জুগিয়া বালি ঘাটের উপর। তাই প্রচন্ড গরমে বন্ধ দরজা জানালা ঘড়ে ধুঁলোবালি আশ্রনে মাত্রাধীক শব্দ দূষনের মধ্যে নিঘুর্ম রাত কাঁটাতে হচ্ছে তাদের।

এই বিষয়ে জুগিয়া হাটপাড়ার আমানত আলী বলেন , এসব দেখে মনে হয় সব কিছু বিক্রি করে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। শুধু তাই নয় গোরস্থান পাড়া থেকে ভাটাপাড়া, দগার্পাড় ঐ দিকে জুগিয়া হিন্দু পাড়া বটতলা পাড়া, স্কুলপাড়া, মন্ডলপাড়াসহ সকল এলাকার মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দঁাড়িয়েছে এই রাতের আঁধারে বালি উত্তোলন। তাদের নাম প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করলেও বালি উত্তোলন বন্ধে সর্বচ্ছ সহযোগিতার জন্য তারা একত্তাবন্ধ রয়েছেন বলে জানান তারা। যখন সরকারীভাবে ইজারা বন্ধের ঘোষণা করা হয় তখন এলাকাতে একপ্রকার সস্তির আশ্বাস মিলেছিল তাদের। দীর্ঘদিনের এই ধ্বংস চক্রের হাত থেকে এলাকাটি রক্ষা পাওয়ায় মানুষ তাদের কষ্টের দিনগুলির কথা ভুলতে বসেছিল।

কিন্তু বেশ কিছুদিন যাবৎ রাতের আঁধারে কে বা কাহারা শত শত ড্রামট্রাক ও শব্দ যন্ত্র ট্রলি দিয়ে বালি কেঁটে নিয়ে যাচ্ছে। এতে হুমকীতে রয়েছে স্থানীয়রা। যখন বালির ঘাট স্বচল ছিল সেই সময় থেকে এলাকার রাস্থা ঘাট বিধ্বংসিত আজও সংস্কার হয়নি। সামান্য বৃষ্টিপাতে চলাচলে জরাজীর্ণ অবস্থা হলেও মানুষ মেনে নিতে পেরেছে। নতুন করে সপ্ন দেখতে শুরু করেছে ঘড় বাড়ি নিমার্নের দিকে। যেখানে আগে কোন আত্বীয় স্বজনেরা এলাকাতে যেতেই চাইতো না সেখানে অন্য এলাকার মানুষ অবকাঠানো তৈরির জন্য যায়গা খুঁজে বেরাচ্ছে। ঘুড়ে দাঁড়াতে চেয়েছিল মানুষগুলো।

হয়তো রাস্তাটি সংস্কার হলে আধুনিক একটি বাসযোগ্য স্থান হবে ঐ এলাকাটি। এরি মধ্যে নতুন করে শত শত ড্রামট্রাক ও ট্রলি দিয়ে রাতের আঁধারে বালি কাঁটায় এলাকাবাসীদের ভাবিয়ে তুলেছে। সুত্রে জানা যায়, রাত যত গভীর হয় ততই বালি কাঁটার হিড়িক পরে এই বালির ঘাটে। ঐ বালির ঘাটে চলাচলের জন্য দুইটি রাস্তা ব্যবহার হয় একটি ঘাট হতে কানাবিল মোড় সড়ক আরেকটি বালিঘাট হতে হাটপাড়া দিয়ে ত্রিমহোনী সড়ক। তবে ত্রিমহোনী সড়কের রাস্তা থেকে পাথরগাদী ও মাদ্রাসা মোড়েও উঠা যায়। মূলত রাতে হাটপাড়ার ঐ সড়কটি ব্যবহার করেই বর্তমানে বালি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে এলাকা সূত্রে উঠে এসছে।

রাত থেকে শুরু করে সকাল পর্যন্ত দলে দলে ড্রামট্রাক ও ট্রলির হিড়িক পরে বালির ঘাটে। যানবাহনের শব্দে এলাকা জুড়ে মানুষের ঘুম যেন হারাম হচ্ছে। কে বা কাহাদের সহযোগীতায় বালি কঁাটা হচ্ছে তা সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না কেউই। তবে একজন বালুখেকো নেতার নির্দেশনায় এসব শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এর পিছনে যেই থাকুক না কেনো আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন স্থানীয়রা। এই বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ সাইদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানা, ঐ ঘাটে বালি কাটার বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমাকে বিষয়টি দেখতে হবে।

 

এই বিষয়ে এডিসি রেভিনিউ মোঃ সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, নতুন করে জুগিয়া বালিঘাট ইজারা দেয়া হয়নি। সেখানে যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে বালি উত্তলোন করে থাকে তাদের বিষয়ে খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই বিষয়ে আমাদের মোবাইল টিম তৎপর রয়েছে বলে জানান তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর