কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের অভিযানে চোরাইকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার ও দুইজন চোর গ্রেফতার

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রবিউল ইসলাম হৃদয়।
  • আপডেটের সময়। শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৪৬ টাইম ভিউ

মোঃ রবিউল ইসলাম হৃদয়ঃ কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাইকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার ও চুরির ঘটনার সাথে জড়িত তৈয়ব (৫২) ও শাহীন আলম (৩০) নামের দুইজন চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী তৈয়ব কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত হারু মন্ডলের ছেলে ও শাহীন আলম বটতেল বিলপাড়া এলাকার আবুল বাশারের ছেলে।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার সময় কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার খাইরুল আলম।

পুলিশ জানায়, গত ২২ শে আগস্ট আনুমানিক রাত সাড়ে ৮ টার সময় কুষ্টিয়া মডেল থানাধীন বারখাদা ঈদগাহ পাড়া জামে মসজিদের সামনে থেকে মিনারুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তি তার ব্যবহৃত ডিসকভারী-১০০ সিসি মোটরসাইকেল রেখে নামাজ আদায় করার জন্য মসজিদের ভিতরে প্রবেশ করে। নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে আনুমানিক ১০ মিনিট পর বের হয়ে দেখেন তার মোটর সাইকেলটি নাই। পরে মোটরসাইকেলের মালিক মিনারুল ইসলাম ঘটনার প্রেক্ষিতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৪। তারিখ: ০২/০৯/২০১২ইং, ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড। মামলার বিষয় নিয়ে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। পরে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলমের সার্বিক দিক নির্দেশনায় মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন খানের নেতৃত্বে এসআই রফিকুল ইসলাম গত ২ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ জেলায় অভিযান পরিচালনা করে চোরাইকৃত লাল রংঙের ডিসকভারী- ১০০ সিসি মোটর সাইকেলটি উদ্ধার করে এবং চুরির সাথে জড়িত দুইজন চোরকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত দুইজন চোরের পিসিপিআর যাচাই করে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চুরি সহ একাধিক মামলা পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার খাইরুল আলম।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম জানান,
চুরির ঘটনার পর মোটরসাইকেলের মালিক মডেল থানায় একটি অজ্ঞাত মামলা দায়ের করেন।তার পরিপেক্ষিতে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ব্যাপক কাজ শুরু করে। এরপর আসামীদের মোটরসাইকেল সহ গ্রেফতার করা হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর