শিরোনামঃ
কুষ্টিয়া ট্রাফিক অফিস বার্ষিক পরিদর্শন করলেন এসপি খাইরুল আলম সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইবিতে অংশীজনদের সমন্বয় সভা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে ইবি হ্যান্ডবল দল ও বাস্কেটবল দলের (চ্যাম্পিয়ন) পদক গ্রহণ। ইবিতে গ্লোবাল সিটিজেনশিপ এন্ড সিভিক এডুকেশন শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত। দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক গড়ার প্রত্যয়ে আইএফআইসি ব্যাংক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পালিত হলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। জনবাণী পত্রিকায় কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক হৃদয় কুষ্টিয়ায় ফুল বিক্রেতার গলা কাটা লাশ উদ্ধার ইবি’র ৪৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে কাল প্রতারণার মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়ায় দিশেহারা দরিদ্র শাজাহান

নাটোরে শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন কলেজছাত্র

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময়। রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২
  • ৩৪৩ টাইম ভিউ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের পর ৬ মাস প্রেম, তারপর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সাড়া ফেলেছেন নাটোরের এক কলেজছাত্র ও শিক্ষিকা। তারা হলেন- মামুন হোসেন (২২) ও খাইরুন নাহার (৪০) দম্পতি। তাদের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায়। তবে বর্তমানে তারা নাটোর শহরের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।

জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছা. খাইরুন নাহার। প্রথমে বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। সেখানে তার এক সন্তানও রয়েছে। তবে পারিবারিক কলহে বেশি দিন টেকেনি সে সংসার। তারপর কেটে যায় অনেক দিন। এর মাঝে ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। তিনি নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। সপ্তাহ খানেক আগে তাদের বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হয়।

খাইরুন নাহার সমকালেকে বলেন, ‘প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর মানষিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। প্রতিটা দিন, প্রতিটা মুহূর্ত মানষিক কষ্টে কাটতো। একবার আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ঠিক সেই সময় ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুন আমার খারাপ সময় পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছে এবং নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছে। সে মন-প্রাণ দিয়ে ভালবাসে আমাকে। আর সেই ভালবাসা থেকেই দুজনের সিদ্ধান্তে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমাদের বিয়ে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও আমার পরিবার থেকে মেনে নেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘সামাজিকভাবে বিভিন্ন মহলে নানা কুৎসিত মন্তব্য থাকলেও সেসব তোয়াক্কা না করে নতুন সংসারে সুখেই দিন কাটাচ্ছি। আজীবন মামুনের সঙ্গে সংসার করে যেতে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চাই।’

মামুন হোসেন বলেন, ‘মানুষের মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। কে কি বললো সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছি।’

ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, মামুন নাটোরে থেকে এনএস কলেজে পড়ালেখা করে জানি। আজ ফেসবুকে দেখলাম কলেজশিক্ষিকাকে বিয়ে করেছে। শুনেছি ওই মেয়েটাও (খায়রুন নাহার) নাটোরে বাসা নিয়ে থাকে। সেখান থেকেই কলেজ করে। তারা বিয়ে করলেও এতদিন ঘটনা জানাজানি হয়নি।

খুবজীপুর মোজাম্মেল হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আবু সাইদ বলেন, ‘খায়রুন নাহার আমার প্রতিষ্ঠানের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। রোববার ফেসবুকের এই খবর দেখে প্রথমে ঘটনা জানলাম। ওই শিক্ষিকা বছর খানেক আগে বলেছিলেন, তিনি নাটোর শহরে বাসা নেবেন। এতটুকুই জানতাম। কলেজে আসলে ওই শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

 

 

 

সূত্রঃ সমকাল

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর