শিরোনামঃ
ইবিতে গ্লোবাল সিটিজেনশিপ এন্ড সিভিক এডুকেশন শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত। দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক গড়ার প্রত্যয়ে আইএফআইসি ব্যাংক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পালিত হলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। জনবাণী পত্রিকায় কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক হৃদয় কুষ্টিয়ায় ফুল বিক্রেতার গলা কাটা লাশ উদ্ধার ইবি’র ৪৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে কাল প্রতারণার মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়ায় দিশেহারা দরিদ্র শাজাহান কুষ্টিয়া হরিপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম : টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই রবিউল হত্যা মামলায় চর মিলপাড়ার রনিকে চক্রান্ত করে ফাঁসানোর দাবি পরিবারের কুষ্টিয়ায় এসপি খাইরুল আলমের নির্দেশে ৬৭ টি চোরাই মোবাইল ও বিকাশ প্রতারনার টাকা উদ্ধার

কুষ্টিয়ায় ভূমিদস্যুদের হাত থেকে সম্পত্তি রক্ষা করতে সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেটের সময়। সোমবার, ২৩ মে, ২০২২
  • ১৯০ টাইম ভিউ

কুষ্টিয়া অফিসঃ কুষ্টিয়া পৌর এলাকার জুগিয়া মাদারশাহ্ এলাকায় মিঞাজান প্রামাণিকের সম্পত্তি ভূমিদস্যু আতিয়ার রহমান গংদের হাত থেকে রক্ষা করতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে তার ওয়ারিশবৃন্দ। ২৩ মে দুপুরে এই সাংবাদিক সম্মেলন করেন তারা। সাংবাদিক সম্মেলনে মিঞাজান প্রামাণিকের ওয়ারিশবৃন্দের পক্ষে তাদের বক্তব্য প্রেসনোট আকারে উপস্থাপন করেন মোঃ জামিরুল ইসলাম।

জামিরুল তার বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বলেন, মোঃ আতিয়ার রহমান, পিতা-মৃত হোসেন আলী, সাং-জুগিয়া পালপাড়া, ডাকঘর-জুগিয়া, থানা ও জেলা-কুষ্টিয়া মূলত আলীজান প্রামাণিকের ওয়ারিশ নূর মোহাম্মদ, সাফি প্রামানিক, সুরুজা খাতুন ও পানু বিবির নিকট হতে তাদের অংশ ক্রয় করেন। কিন্তু তারা আলীজান মিঞাজান দুজনের অংশই রেজিস্ট্রি ও খারিজ করে নিয়েছেন। তারা জোরপূর্বক আমাদের অংশ দখল নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছেন। আতিয়ার রহমান গং আলীজান প্রামানিকের অংশ তাদের ওয়ারিশদের থেকে ১৯৮১ সালে ক্রয় করে। তারা ১৯৯৭ সালে দুই অংশের জমির দখল নিতে গেলে আমরা জানতে পারি তারা আলীজান এর অংশ ক্রয় করে আলীজান ও মিঞাজান দুজনের অংশই রেজিস্ট্রি ও খারিজ করে নিয়েছে। তৎক্ষণাৎ আমরা আরডিসি অফিসে গিয়ে আমাদের অংশের খারিজ বাতিলের আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই ও তদন্ত শেষে খারিজটি বাতিল করে দেন।

তিনি আরো বলেন, দিশেহারা হয়ে ভূমিদস্যুরা বিজ্ঞ সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে স্বত্ব প্রচার বাবদ দেং/১৯৯৭ নং মোকাদ্দমাটি দায়ের করার পর পরাজয় বরণ করার ভয়ে সুকৌশলে ১৮/০১/২০০০ ইং তারিখে মামলাটি উঠিয়ে নেন। ভূমিদস্যুরা পুনরায় ১৩/০২/২০০৭ ইং তারিখে কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ অতিরিক্ত ৩য় আদালতে একটি বন্টন মামলা দায়ের করেন। ১৩ বছর বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি বিচারাধীন থাকার পর ২০২০ সালে মহামান্য আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

পরবর্তীতে ভূমিদস্যুরা ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে মামলাটি পুনরায় চালু করেন। বর্তমানে মামলাটির শুনানি চলছে। ভূমিদস্যুরা বিভিন্ন অজুহাতে মামলার কালক্ষেপণ করছেন এবং এই সুযোগে জমির উপরে নানা ধরনের স্থাপনা নির্মাণ সহ সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে আতিয়ার গং’রা মামলাটি মীমাংসা করে নেওয়ার জন্য মিঞাজান প্রামানিকের অংশ তার ওয়ারিশ (আমাদের) থেকে কিনে নেওয়ার জন্য বারংবার প্রস্তাব দিচ্ছেন। আমরা ওয়ারিশগণ রাজি না হওয়ায় প্রতিনিয়ত তারা প্রাণনাশের হুমকি সহ নানা ধরনের হুমকি-ধামকি প্রদান করে আসছেন।

জামিরুল ইসলাম বলেন, ইতিপূর্বে উক্ত নালিশি জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করার পরও ভূমিদস্যুরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমির উপর স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে গেছেন। সেসময় বারবার স্থানীয় থানা পুলিশের দারস্থ্য হলেও তারা কোন পদক্ষেপ না নিয়ে নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করে গেছেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে ওয়ারিশবৃন্দের পক্ষ থেকে তাদের শেষ সম্বল পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমির অংশ তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আধুনিক কুষ্টিয়ার রূপকার মাননীয় সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ এবং প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা। এই সংবাদ সম্মেলনে মিঞাজান প্রামাণিকের সকল ওয়ারিশবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর