শিরোনামঃ
কুষ্টিয়া ট্রাফিক অফিস বার্ষিক পরিদর্শন করলেন এসপি খাইরুল আলম সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইবিতে অংশীজনদের সমন্বয় সভা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে ইবি হ্যান্ডবল দল ও বাস্কেটবল দলের (চ্যাম্পিয়ন) পদক গ্রহণ। ইবিতে গ্লোবাল সিটিজেনশিপ এন্ড সিভিক এডুকেশন শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত। দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক গড়ার প্রত্যয়ে আইএফআইসি ব্যাংক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পালিত হলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। জনবাণী পত্রিকায় কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক হৃদয় কুষ্টিয়ায় ফুল বিক্রেতার গলা কাটা লাশ উদ্ধার ইবি’র ৪৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে কাল প্রতারণার মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়ায় দিশেহারা দরিদ্র শাজাহান

আদালতের নিষেধাক্ষা কে বৃদ্ধাআঙ্গুলী দেখায়ে চলছে দোকান নির্মান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেটের সময়। মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ২১২ টাইম ভিউ

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ১১ নং চরসাদীপুর ইউনিয়নের সাদীপুর হাটের উপর কুমারখালী সহকারী জজ আদালত, কুষ্টিয়া থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না এসকেনদার আলী সহ মনসুর আলীর ওয়ারিশগণ।

সরেজমিন ও প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের মতানুসারে জানা যায়, চরসাদীপুর হাট দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ চলে আসছেন সরকারী খাস জমি হিসেবে। কিন্তু কিছু বছর আগে থেকে মৃত মুনছুর আলীর ওয়ারিশগন নিজেদের দাবি করেন। কিন্তু সরকারী তদন্ত হিসেবে জানা যায় এটা সম্পূর্ণ খাস জমি যাহার মালিক সরকার যা অবৈধ ভাবে রেকর্ড করেন মনছুর আলী।
কিন্তু এর’ই বিরুদ্ধে গত ২০১৫ সালে মনসুর আলীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক,কুষ্টিয়া বাদী হয়ে কুমারখালী সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং-৬৬/২০১৫।

কুমারখালী সহকারী জজ আদালত,কুষ্টিয়া মৃত মনছুর আলীর ওয়ারিশ গণের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং কোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা জারিকৃত নৌটিশ নির্মানধীন স্থানে স্থাপন করিলে তাহা তারা নষ্ট করে পূনরায় কাজ শুরু করে।
প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী মোঃ আবুল হোসেন মুকুল সাবেক ইউপি সদস্য বলেন যে কুমারখালী থেকে লোক এসে কাজ বন্ধ করার জন্য কুমারখালী সহকারী জজ আদালত, কুষ্টিয়া থেকে আসা একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার নৌটিশ টানিয়ে দেন কিন্তু তারা চলে যাওয়ার পরপরই তা নষ্ট করে আবার নির্মান কাজ চালু করেন। মোঃ ফয়েজউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, আমরা এলাকার মানুষ মিলে এই হাটটি গঠন করি কিন্তু মৃত মনছুর আলী তখন অবৈধ ভাবে এটি রেকর্ড করে নেন। এবং এলাকা বাসি চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তা হাটের নামে দিয়ে দেওয়ার স্বীকার করেন তাকে এলাকাবাসী মিলে রেজিস্ট্রি খরচ দিয়ে দেন। কিন্তু তিনি নানান কারণ দেখিয়ে আর ফিরে দেননি হাটের নামে এবং সে পরবর্তীতে মারা যান। তার মৃত্যুর দীর্ঘ দিন যাবৎ পরে এই হাটে সম্পত্তি তার ওয়ারিশগণ দাবি করছেন।

এলাকা বাসীর দাবি, যথাযথ কর্তৃপক্ষ যেন সুষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর