শিরোনামঃ
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইবির শেখ রাসেল হলে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের সেরা অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও গাঁজা সহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও গাঁজা সহ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। কুষ্টিয়ায় দুটি হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন ইবি আইন বিভাগের শিক্ষক ড.মাহবুব বিন শাহজাহান ইবি ছাত্রলীগের কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ শেখ আমাদের খেলার মাঠ কেড়ে নিও না কুষ্টিয়া যুব উন্নয়ন পরিষদ এর বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। বর্তমান সমাজের বাস্তব রূপ” …….কাজী মারুফ কুষ্টিয়ায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, আটক -৭

আদালতের নিষেধাক্ষা কে বৃদ্ধাআঙ্গুলী দেখায়ে চলছে দোকান নির্মান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেটের সময়। মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৭২ টাইম ভিউ

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ১১ নং চরসাদীপুর ইউনিয়নের সাদীপুর হাটের উপর কুমারখালী সহকারী জজ আদালত, কুষ্টিয়া থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না এসকেনদার আলী সহ মনসুর আলীর ওয়ারিশগণ।

সরেজমিন ও প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের মতানুসারে জানা যায়, চরসাদীপুর হাট দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ চলে আসছেন সরকারী খাস জমি হিসেবে। কিন্তু কিছু বছর আগে থেকে মৃত মুনছুর আলীর ওয়ারিশগন নিজেদের দাবি করেন। কিন্তু সরকারী তদন্ত হিসেবে জানা যায় এটা সম্পূর্ণ খাস জমি যাহার মালিক সরকার যা অবৈধ ভাবে রেকর্ড করেন মনছুর আলী।
কিন্তু এর’ই বিরুদ্ধে গত ২০১৫ সালে মনসুর আলীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক,কুষ্টিয়া বাদী হয়ে কুমারখালী সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং-৬৬/২০১৫।

কুমারখালী সহকারী জজ আদালত,কুষ্টিয়া মৃত মনছুর আলীর ওয়ারিশ গণের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং কোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা জারিকৃত নৌটিশ নির্মানধীন স্থানে স্থাপন করিলে তাহা তারা নষ্ট করে পূনরায় কাজ শুরু করে।
প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী মোঃ আবুল হোসেন মুকুল সাবেক ইউপি সদস্য বলেন যে কুমারখালী থেকে লোক এসে কাজ বন্ধ করার জন্য কুমারখালী সহকারী জজ আদালত, কুষ্টিয়া থেকে আসা একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার নৌটিশ টানিয়ে দেন কিন্তু তারা চলে যাওয়ার পরপরই তা নষ্ট করে আবার নির্মান কাজ চালু করেন। মোঃ ফয়েজউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, আমরা এলাকার মানুষ মিলে এই হাটটি গঠন করি কিন্তু মৃত মনছুর আলী তখন অবৈধ ভাবে এটি রেকর্ড করে নেন। এবং এলাকা বাসি চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তা হাটের নামে দিয়ে দেওয়ার স্বীকার করেন তাকে এলাকাবাসী মিলে রেজিস্ট্রি খরচ দিয়ে দেন। কিন্তু তিনি নানান কারণ দেখিয়ে আর ফিরে দেননি হাটের নামে এবং সে পরবর্তীতে মারা যান। তার মৃত্যুর দীর্ঘ দিন যাবৎ পরে এই হাটে সম্পত্তি তার ওয়ারিশগণ দাবি করছেন।

এলাকা বাসীর দাবি, যথাযথ কর্তৃপক্ষ যেন সুষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর