শিরোনামঃ
ইবিতে গ্লোবাল সিটিজেনশিপ এন্ড সিভিক এডুকেশন শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত। দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক গড়ার প্রত্যয়ে আইএফআইসি ব্যাংক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পালিত হলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। জনবাণী পত্রিকায় কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক হৃদয় কুষ্টিয়ায় ফুল বিক্রেতার গলা কাটা লাশ উদ্ধার ইবি’র ৪৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে কাল প্রতারণার মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়ায় দিশেহারা দরিদ্র শাজাহান কুষ্টিয়া হরিপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম : টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই রবিউল হত্যা মামলায় চর মিলপাড়ার রনিকে চক্রান্ত করে ফাঁসানোর দাবি পরিবারের কুষ্টিয়ায় এসপি খাইরুল আলমের নির্দেশে ৬৭ টি চোরাই মোবাইল ও বিকাশ প্রতারনার টাকা উদ্ধার

স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে গিয়ে ইবি শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেটের সময়। শনিবার, ২৬ মার্চ, ২০২২
  • ১৮৮ টাইম ভিউ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে গিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুটি গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্মৃতিসৌধে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায়। এরপর একে একে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, অনুষদ, আবাসিক হল, ছাত্রলীগ, শিক্ষক-ছাত্র সংগঠন ফুল দেওয়া শুরু করে। ঘোষিত বঙ্গবন্ধু পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর সঞ্চালক জিয়া পরিষদকে ফুল দেওয়ার জন্য ডাকে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের শিক্ষক ইউনিটের শিক্ষকরা ফুল দিতে বেদিতে উঠতে গেলে সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রক্টর ড. শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তাদের বাক-বিতণ্ডা হয়।এরপর সেখানে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্র ঘোষিত কমিটির শিক্ষকরা গেলে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। দুই গ্রুপের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষক এ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের উপস্থিতিতেই মারামারি করেন শিক্ষকরা। পরে সিনিয়র শিক্ষকদের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত হয়।

পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের সামনে এসে মানববন্ধন করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ শিক্ষক ইউনিটের শিক্ষকরা। এ সময় তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং এ ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ শিক্ষক ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তপন কুমার জোদ্দার বলেন, জাতীয় দিবসে বিশৃঙ্খলা হোক এটা আমরা কখনো চাইনি। কিন্তু অপর পক্ষ আমাদের কাছ থেকে ফুলের ডালি নিয়ে ভেঙে দেয়। ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন বলেন, এটা তাদের পূর্ব পরিকল্পনা ছিল। তারা জুনিয়র শিক্ষকরা সিনিয়র শিক্ষকদের অসম্মান করেছে। জাতীয় দিবসে এমন একটি ঘটনা খুবই দুঃখজনক।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর